1. live@www.dainikmisridawaranews.com : দৈনিক মিশ্রীদেয়াড়া নিউজ : দৈনিক মিশ্রীদেয়াড়া নিউজ
  2. info@www.dainikmisridawaranews.com : দৈনিক মিশ্রীদেয়াড়া নিউজ :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
PinUp Casino официальный сайт играть в казино онлайн в Казахстане Сайт Pin Up casino играть в казино онлайн на деньги в Казахстане তালার জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটুর ঈদ শুভেচ্ছা বিশ্ব মৌমাছি দিবস উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রী টুকুর সঙ্গে বাংলাদেশ বি-কিপার্স এসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ যশোর ল্যাবএইড এর বহুমুখী প্রতারক ফাতিমা ও তার গ্যাং ফের বেপরোয়া পবিত্র ঈদুল আজহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মিলন হোসেন সাঁকো বর্ষসেরা পুরস্কার-২০২৫’ দৈনিক সকালের সময়’র সাহিত্য সম্পাদক সুলেখা আক্তার শান্তা পুরস্কৃত ফলোআপ: সুন্দরবনে বনজীবীর মৃত্যুর ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন দেবহাটায় ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ এর উদ্বোধনী ও আলোচনা সভা ব্র্যাক ইউপিজি সদস্যদের স্কুল পড়ুয়া বাচ্চাদের মাঝে ছাতা বিতরন

পদধারী কিছু নেতার বিশ্বাসঘাতকতায় আমি পরাজিত হয়েছি: সাবিরা নাজমুন মুন্নী

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগে ৩৬টি আসনের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী ছিলেন যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে বিএনপি নেত্রী সাবিরা সুলতানা মুন্নী। ধানের শীষের মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি দলের মনোয়নবঞ্চিতদের চরম বিরোধিতার মুখে পড়েন। জামায়াত প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের কাছে তিনি ৩৪ হাজার ৫১৮ ভোটে পরাজিত হন।

পরাজয়ের কারণ জানতে চাইলে ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবিরা সুলতানা মুন্নী জানান, দলের মনোনয়নবঞ্চিত ও পদধারী নেতাদের প্রকাশ্য বিরোধিতা, গোপন আঁতাত ও ষড়যন্ত্রের কারণে ভোটের মাঠ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অনুকূলে চলে যায়।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, পদধারী কিছু নেতার বিশ্বাসঘাতকতায় আমি পরাজিত হয়েছি। দলের সঙ্গে তারা বেইমানি করেছেন। আমাকে পরাজিত করার জন্য জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সঙ্গে তারা আঁতাত করেছেন। টাকার কাছে তারা বিক্রি হয়ে গেছেন। মঙ্গলবার যুগান্তরের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মুন্নী এ অভিযোগ করেন।

ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুন্নী বলেন, উপজেলা বিএনপি নেতা মোর্তজা এলাহী টিপু শুধু সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন। নির্বাচন এলেই তিনি (টিপু) বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তিনি জেলার শীর্ষ নেতাদের মদদপুষ্ট। তার বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

মুন্নী বলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান সামাদ নিপুণও ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেননি। বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে তিনি (নিপুণ) ধানের শীষের পক্ষের নেতাকর্মীদের কেন্দ্রে না যেতে হুমকি-ধামকি দিয়েছেন। আর নিজের অনুসারীদের ধানের শীষে ভোট দিতে নিষেধ করেছেন। এর বহু প্রমাণ আছে।

মুন্নী বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলেন চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম। তিনি ও তার অনুসারীরা ধানের শীষের বিরোধিতা করেছেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করেছেন। জহুরুলের অনুসারী হিসাবে পরিচিত চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেননি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তিনি (মাহমুদুল) বলেন, ‘যাকে খুশি, তাকে ভোট দেবেন।’ কিন্তু কেন তিনি এ কথা বলবেন? তিনি তো বলবেন-সবাই ধানের শীষে ভোট দেবেন। চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলীবুদ্দিন খান আলী প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন-সাবিরা সুলতানা মুন্নীকে চৌগাছায় প্রতিরোধ করা হবে। তখন নেতাকর্মীরা বলেন-ধানের শীষের সঙ্গে বেইমানি করা হচ্ছে। শুনেছি-তাকে (আলীবুদ্দিন) শোকজ করা হয়েছে। কিন্তু এ সংক্রান্ত কোনো চিঠি দেখিনি।

সাবিরা সুলতানা মুন্নী আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাংশের নেতারা জামায়াতের ওপর ভর করেছেন। জামায়াতের পক্ষে তারা কাজ করেছেন। তাদের বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি-সম্পাদককে বারবার বলেছিলাম। তারা সভা ডেকে তাদের সতর্ক না করে সময়ক্ষেপণ করেছেন। তারা অসহযোগিতা করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর টাকার কাছে তারা বিক্রি হয়েছেন। নেতাদের বিশ্বাসঘাতকতার বিষয়টি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানকে অবহিত করেছি। তিনি লিখিত দিতে বলেছেন। এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রসঙ্গে সাবিরা সুলতানা মুন্নী বলেন, রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম, আছি। দলের মনোনয়নে সরাসরি নির্বাচন করেছি। দলের কিছু নেতার বেইমানির কারণে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছি। শুধু আমি নই, খুলনা বিভাগে বিএনপির ফলাফল খারাপ হয়েছে। এজন্য সংসদে এ অঞ্চলের বিএনপির সংসদ-সদস্য কম থাকবে। দল সংরক্ষিত আসনে আমাকে মনোনয়ন দিলে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি উপকৃত হবে। না হলে জামায়াত এ অঞ্চলে আরও শক্তিশালী হয়ে বিএনপিকে গ্রাস করবে। আশা করি-দলের হাইকমান্ড বিষয়টি বিবেচনা করবে।

দলের নেতাদের সঙ্গে ধানের শীষের প্রার্থী হিসাবে সমন্বয় না করার অভিযোগ প্রসঙ্গে সাবিরা সুলতানা বলেন, আমার বিরুদ্ধে মনোনয়নবঞ্চিতরা প্রকাশ্যে লাগাতার কর্মসূচি পালন করেছেন। এরপরও শেষ পর্যন্ত তাদের হাত-পা ধরা বাদে সব ধরনের সমন্বয় করেছি। তারা সামনে আমার পক্ষে বললেও ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করেছেন। সর্বশেষ দুটি জনসভায় লোক সমাগম দেখে তারা আরও বিগড়ে যান। তারা যেকোনো মূল্যে আমাকে ঠেকাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য, সাবিরা সুলতানা মুন্নীর স্বামী নাজমুল ইসলাম ছিলেন যশোর জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি। ২০১১ সালে ঢাকা থেকে অপহরণের পর তিনি খুন হন। স্বামীর মৃত্যুর পর গৃহিণী থেকে রাজনীতিতে মুন্নী সক্রিয় হন। ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। রাজপথেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। হামলা, মামলা, জেল জুলুম উপেক্ষা করে তিনি দলকে সংগঠিত করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট